৭৩৫ কুকুরের ‘বাবা’ যে প্রকৌশলী!

  • 0 88
  • Shared 4 months ago
  • Label: News
  • রাকেশ শুক্লা পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী। যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে থিতু হয়েছেন নিজের দেশের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। তবে পেশাগত জীবনের কারণে তিনি খবরের শিরোনাম হননি।

    ...

    রাকেশ শুক্লা পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী। যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে থিতু হয়েছেন নিজের দেশের কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে। তবে পেশাগত জীবনের কারণে তিনি খবরের শিরোনাম হননি। খবরে এসেছেন ৭৩৫ কুকুরের জন্য নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলে।rnrnবিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরুর কাছে সাড়ে তিন একরের একটি খামারবাড়ি বানিয়েছেন রাকেশ শুক্লা। ওই বাড়ির দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলে দেখা মেলে বিভিন্ন জাতের কুকুরের। এখানে দেশি, বিদেশি, আহত, অঙ্গহানি হওয়া কুকুর আছে ৭৩৫টি। এই প্রকৌশলী পরম মমতায় এদের দেখভাল করেন। নিজেকে পরিচয় দেন এদের ‘বাবা’ হিসেবে, আর সে হিসেবে এরা তাঁর সন্তান।rnrnকুকুরের প্রতি ভালোবাসা কীভাবে তৈরি হলো, সে গল্প করতে গিয়ে রাকেশ বলেন, জীবন মানে সচ্ছল জীবন যাপন করা, দামি গাড়ি কেনা ও জিনিস কেনা না; জীবন মানে আরও অনেক কিছু। বিষয়টি তিনি বুঝতে পারেন ২০০৯ সালের জুনে যখন কাব্য নামের একটি কুকুর তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর জীবনে আসে। কুকুরটি তাদের সঙ্গে দুষ্টুমিতে মেতে মন জয় করে নেয়। কুকুরের জন্য রাকেশ দম্পতির অন্য রকমের ভালোবাসা তৈরি হয়। কাব্যের পর তাঁরা আরেকটি কুকুর রাস্তা থেকে এনে লাকি নাম দিয়ে পুষতে থাকেন। এভাবে কখনো কিনে, কখনো রাস্তা থেকে কুড়িয়ে, আবার কখনো উপহার পেয়ে কুকুরের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তখন তাঁরা কুকুরের জন্য আলাদা খামারবাড়ি করেন। সেই খামারবাড়ির ৭৩৫টি কুকুরের দেখভালের জন্য আছেন ১০ জন কর্মী। সব মিলিয়ে এই খামারের পেছনে প্রতিদিন তাঁর খরচ হয় ৪৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা।rnrnকুকুরপ্রীতির জন্য কম ভোগান্তি পোহাতে হয়নি রাকেশ শুক্লাকে। প্রতিবেশীরা এত বেশি কুকুর পোষার জন্য তাঁর নামে থানায় অভিযোগ করেছে। প্রাণী অধিকারকর্মীরা ওই খামারে আসলে কী হয়, তা দেখার সুযোগ দাবি করেন। আবার কেউ কেউ চিরদিনের মতো তাঁর খামারটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। তবে দমে যাওয়ার পাত্র তিনি নন। বললেন, ‘জীবনে কুকুরের সঙ্গে সন্ধি করেছি। এ বন্ধন ছিন্ন হওয়ার নয়।’

show more show less